রিয়াদ থেকে মাকে বিকাশে টাকা পাঠানো
মাসের শেষে বেতন হাতে এলেই মায়ের বিকাশে পাঠিয়ে দিন, দেশে থাকার মতোই সহজে।
ফোনের সেটিংসে একবার একটা ঠিকানা বসিয়ে দিন। এরপর বাংলাদেশি অ্যাপগুলো খুলবে ঠিক দেশের মতো। আলাদা কোনো অ্যাপ চালু রাখতে হবে না, নেটও স্লো হবে না।
দেশ থেকে দূরে থাকেন, কিন্তু দেশের কাজগুলো তো থেমে থাকে না।
মাসের শেষে বেতন হাতে এলেই মায়ের বিকাশে পাঠিয়ে দিন, দেশে থাকার মতোই সহজে।
লম্বা ডিউটির পর আলাপে বাড়ির সবার সাথে কথা বলুন, পরিষ্কার আওয়াজে।
বাড়ির বিদ্যুৎ বিল বা ছোট ভাইয়ের স্কুলের ফি, যেখানে আছেন সেখান থেকেই নগদে দিয়ে দিন।
যেখানেই থাকুন, ফোনে ইন্টারনেট থাকলেই চলবে।
টাকা পাঠানো থেকে বাড়িতে কল, সবই চলবে ঠিক দেশের মতো।
বিদেশ থেকেও সেন্ড মানি, পেমেন্ট, ক্যাশ আউট।
যেখানেই থাকুন, আপনার নগদ অ্যাকাউন্ট।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট অ্যাপ।
উপায়ে পেমেন্ট ও ট্রান্সফার।
আলাপ দিয়ে বাংলাদেশি নম্বরে কল।
লিংক থ্রি ডায়াল কলিং অ্যাপ।
ব্রিলিয়ান্ট কলিং অ্যাপ।
অ্যাপ ও ব্রাউজারের বিজ্ঞাপন আর ট্র্যাকার বন্ধ করে।
কিছু ইনস্টল করতে হয় না। মোটে দুই মিনিট লাগে।
অ্যাকাউন্ট খুলুন, যে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করেন তা দিয়েই পেমেন্ট করুন।
নিজের ঠিকানাটা কপি করে ফোনের প্রাইভেট ডিএনএসে বসান। আইফোনে একটা ছোট প্রোফাইল ইনস্টল করলেই হয়।
ব্যস, এটুকুই। এখন বাংলাদেশি অ্যাপগুলো চলবে দেশে থাকার মতো।

১সেটিংস খুলে নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটে যান

২প্রাইভেট ডিএনএস চাপুন

৩প্রাইভেট ডিএনএস প্রোভাইডার হোস্টনেম বেছে নিন

৪নিজের ঠিকানা বসিয়ে সেভ চাপুন

১সাফারিতে নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকে প্রোফাইল ডাউনলোড করুন

২সেটিংসে গিয়ে 'প্রোফাইল ডাউনলোড হয়েছে' চাপুন

৩ইনস্টল চাপুন, তারপর পাসকোড দিন

৪হয়ে গেছে। এবার অ্যাপ খুলুন
ফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার, আর রাউটারে বসালে পুরো বাসার সব ডিভাইস।
সেটিংস → প্রাইভেট ডিএনএস। কোনো অ্যাপ লাগে না।
অ্যাকাউন্ট থেকে একটা ছোট প্রোফাইল ইনস্টল করুন।
নেটওয়ার্ক সেটিংস → DNS over HTTPS।
আইফোনের একই প্রোফাইল।
ব্রাউজারের Secure DNS সেটিং, উইন্ডোজ ১০-এও চলে।
একবার বসালেই ওয়াই-ফাইয়ের সব ডিভাইস, টিভিও।
উইন্ডোজ ১০-এ এই সেটিং নেই, সেখানে ক্রোম বা এজ ব্যবহার করুন। প্রতিটি ডিভাইস আপনার প্যাকেজের একটা করে ডিভাইস জায়গা নেয়।
একবার পেমেন্ট করুন, মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন চালান। ইচ্ছেমতো রিনিউ করুন।
প্রতি ডিভাইসে প্রতিদিন ৳৫
প্রতি ডিভাইসে প্রতিদিন ৳৫
প্রতি ডিভাইসে প্রতিদিন ৳৫
প্রতি ডিভাইসে প্রতিদিন ৳৫
প্রতি ডিভাইসে প্রতিদিন ৳৪.৯৩
পেমেন্টের TrxID মিলিয়ে আমরা চালু করে দিই, সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই।
দুটো দিয়েই বিদেশে বাংলাদেশি অ্যাপ খোলে। পার্থক্যটা এখানে।
টাকা পাঠান, TrxID দিন, আমরা চালু করে দেব।
প্রবাসে থাকা আর কাজ করা বাংলাদেশিদের কথা ভেবে বানানো।
অ্যান্ড্রয়েড আর আইফোনে আগে থেকেই থাকা প্রাইভেট ডিএনএস ব্যবহার করে। আলাদা কিছু চালু রাখতে হয় না।
শুধু বাংলাদেশি অ্যাপগুলো বাংলাদেশ হয়ে যায়, বাকি সব সরাসরি চলে।
আপনার তথ্য এনক্রিপ্ট করা থাকে, আর আপনি কোথায় যান তার তালিকা আমরা রাখি না।
অ্যাপ আর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন আর ট্র্যাকার কমে যায়।
প্রত্যেকে পান নিজের ঠিকানা, যা শুধু তাঁর জন্যই কাজ করে।
দরকার হলেই হোয়াটসঅ্যাপে বাংলায় মেসেজ দিন।
না। আপনার ফোনেই 'প্রাইভেট ডিএনএস' নামে একটা সেটিং আছে, আমরা শুধু সেটাই ব্যবহার করি। অ্যান্ড্রয়েড ৯ বা নতুন আর আইফোনে iOS 14 বা নতুন হলেই চলবে।
না। শুধু বাংলাদেশি অ্যাপগুলো বাংলাদেশ হয়ে যায়। ইউটিউব, ফেসবুক সহ বাকি সব আগের মতোই সরাসরি চলে।
পেমেন্টের TrxID দেওয়ার পর আমরা মিলিয়ে দেখি, সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই চালু হয়ে যায়। এর মধ্যে ফোনের সেটআপটা সেরে রাখতে পারেন।
এই পেজে দেখানো যেকোনো মাধ্যমে প্যাকেজের দাম পাঠিয়ে অ্যাকাউন্টে TrxID দিন। মিলিয়ে দেখে আমরা চালু করে দেব।
হ্যাঁ। প্রতিটি প্যাকেজে কয়টি ডিভাইস চলবে লেখা আছে। বেশি লাগলে কাস্টম প্যাকেজ নিন, দিন আর ডিভাইসের সংখ্যা নিজেই বেছে নিন।
ভিপিএন আপনার পুরো ইন্টারনেট অন্য দেশ ঘুরিয়ে আনে, তাই প্রায়ই স্লো হয় আর অ্যাপটা চালু রাখতে হয়। আমরা শুধু বাংলাদেশি অ্যাপগুলো ঢাকা হয়ে পাঠাই, বাকি সব সরাসরি চলে। কিছু চালু রাখতে হয় না, ব্যাটারিও বাড়তি খরচ হয় না।
কখন রিফান্ড হয়, তা আমাদের রিফান্ড নীতিতে লেখা আছে (এই পেজের একদম নিচে লিংক)। কিছু কাজ না করলে আগে আমাদের মেসেজ দিন, বেশিরভাগ সমস্যা সেদিনই ঠিক হয়ে যায়।
হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন। আমরা সেদিনই দেখে দেব।
অ্যাকাউন্ট খুলুন, আর যে অ্যাপে টাকা পাঠান সেটা দিয়েই পেমেন্ট করুন।